পৃথিবীতে পুরুষের চেয়ে মেয়েদের ভাগ্য অনেক ভালোই হয়, তারা নির্ভর করে থাকে অন্যের উপর..
আমি আবার বলতে চাই না তারা কাজ করুক পুরুষদের মত।
...একটা মেয়ে জন্মগ্রহণ করার পর থেকে বাল্য, শৈশব, যৌবনকাল পর্যন্ত দায়িত্ববোধ কিন্তুু বাবা মায়ের উপর ধাবিত হয়ে থাকে।
তাদের লেখা পড়া কাপড় চোপর যত কিছুই আছে সব কিছুই অতি সহজেই হাতের নাগালে চলে যায়।
এমনকি বিয়ের বয়স হয়ে গেলে তাদের বাবা মা চায় আমাদের আদরের মেয়েটি যেনো সুন্দর একটা শিক্ষিত সৎ ভদ্র ও ভালো রোজগারকৃত স্বামীর ঘরে সম্মানের সহিত চলে যায়।
সেই কারনেই আপনারা দেখতে পাবেন মেয়ে পক্ষ পাত্র পক্ষকে দেখতে আসলে তাদের সব কিছুর হিসাব নিকাশ কাটায় কাটায় গুনে থাকে।
সেখানে তারা সরাসরি উল্ল্যেখ করে থাকে ছেলে বড় ব্যাবসায়ী অথবা বড় চাকুরিজীবি হতে হবে... তাহলেই আসার মেয়েকে তার সাথে বিয়ে দিয়ে দিবো।
....কিন্তুু ছেলে পক্ষ যদি মেয়ে পক্ষের কাছে এমন কিছুই বলতে পারে না। বরং ছেলেরা চায় ভালো একটা মেয়ে, রুপোবতী কিংবা গুনোবতী বা দুটোই প্রয়োজন।
আবার এক দিক দিয়ে হিসেব করে দেখতে পারবেন.... তাদের ব্যবহার কিংবা রুপ অথবা সমাজের তারতম্য সমান একজন পুরুষের ভালো টাকা বা ভালো চাকুরি।
তাদের ভাগ্য যেভাবে অনেক ভালোই হয় ----- তাদের বাবা মায়ের ইচ্ছে অনুযায়ী যেমন পাত্রই চান না কেন,ঠিক তেমন পাত্রই জোটে তাদের কপালে।
কিন্তুু সেটা তাদের ভগ্যগুলির মাঝে অন্যতম,
তাদের বাবা মায়ের ইচ্ছের পাত্রটি যে কি ভাবেই তার বাবা মায়ের তাদের মেয়ের স্বপনের পাত্রমত পরিনত হয়েছে,,,,,, সেটা তার বাবা এবং সেয়েই জানে।
বড় চাকুরি কিংবা বড় ব্যাবসা করতে কার যে কতগুলি পরিশ্রম কিংবা কত তপস্যা করতে হয়েছে..... সেটা পুরুষজাত ছাড়া কেউ বলতেও পারবে না এবং বুঝতেও পারবে না।
....তারা অতি সহজেই বড়লোক স্বামমীর ঘড়ে এসেই মহা আনন্দে ধুম ধামের সহিত চিরদিনের মত অতি আরামে সংসার করতে থাকে।
কিন্তুু বাস্তবে একটা মেয়ে যতটুকু সাহায্য সহযোগীতা পায়, ঠিক তার চেয়ে শতকরা ৮০% কম সাহায্য পায় একটি ছেলে ।
...তাতে কিন্তুু প্রত্যেকটা ছেলেরা ঐ বিষয় নিয়ে মোটেও মাথা ঘামায় না।
বরং মেয়েরাই একটু বেশি মাথা ঘামিয়ে থাকে।
প্রমানিতঃ মেয়েরাই সুযোগ্যা ভাগ্যবতী
Post a Comment