Unknown Unknown Author
Title: মিউজিক ভিডিওর নামে যা হচ্ছে এবং যেভাবে হচ্ছে জানলে আতকে উঠবেন
Author: Unknown
Rating 5 of 5 Des:
পারিবারিক ঝগড়া বা মিষ্টি প্রেমের গল্প নয়। অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে তৈরি কাহিনি আর চরিত্রগুলি হল দেওর-ভাবি, ডাক্তার-নার্স বা রোগী, অফিসের বস-স্টেন...



পারিবারিক ঝগড়া বা মিষ্টি প্রেমের গল্প নয়। অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে তৈরি কাহিনি আর চরিত্রগুলি হল দেওর-ভাবি, ডাক্তার-নার্স বা রোগী, অফিসের বস-স্টেনো, বাড়ির মালিক-কাজের মেয়ে, শাশুড়ি-জামাই বা শিক্ষক-ছাত্রী। আর শুট হতো কখনও বাথরুমে, কখনও বেডরুমে আবার কখনও অফিসে। কিন্তু, শেষরক্ষা হল না।

সম্প্রতি ভারতের সল্টলেকে অনুষ্ঠানবাড়ি ভাড়া নিয়ে শুটিং করতে গিয়েই সব ফাঁস হয়ে গেল। একে একে গ্রেপ্তার হল পরিচালক থেকে নায়িকা। কিন্তু, এই রঙিন পর্দার পিছনের গল্পটা ঠিক কী?

ক্যামেরার পিছনের কলাকুশলীরা কারা? জানা গেছে, থিয়েটার শেখানোকে কেন্দ্র করে ঐ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত ছিল সুভাষ ধর রায় নামে এক ব্যক্তির।

বনগাঁ, গুমা, হাবড়া, বসিরহাট, শিলিগুড়ি, সহ রাজ্যের বিভিন্ন মফঃস্বল এলাকা ও ছোটো ছোটো শহরে যেত সে। অর্থের বিনিময়ে মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার প্রস্তাব দেওয়া হত তরুণ-তরুণীদের। রাজি হলেই বিভিন্ন লোকেশনে শুরু হতো শুটিং। দৈনিক মজুরি ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা। জানা গেছে এখানে আসতো মেয়ে-বউরাও।

কিন্তু, সুভাষ ধর একা না! এসএস এন্টারটেনমেন্ট নামে একটি সংস্থা খোলে সৌম্যশঙ্কর চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তি। সে সল্টলেকের এ জে ব্লকের বাসিন্দা। তাঁর সঙ্গে কাজ করত সজল ঘোষ, সুভাষ ধর ও অর্চন কর। এর মধ্যে অর্চন কর ও সুভাষ ধরই প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগের কাজ করত। আর সজল ঘোষের কাজ হল ছবি তৈরি করা।

কিন্তু, এতে দোষের কী? বা সুর কাটল কীভাবে? কারণ মিউজিক ভিডিও তৈরির নাম করে পর্নছবির শুটিং করত তারা। সেইমতো তপোব্রত ঘোষ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে কোনও নথি ছাড়াই সল্টলেকে একটি অনুষ্ঠান বাড়ি ভাড়া নেয় তারা।

আর সেখানে হানা দেয় পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় ৭ নারীসহ ২৮ জনকে। উদ্ধার হয় ক্যামেরা, হার্ডডিস্ক সহ শুটিং-এর নানা জিনিসপত্র। উদ্ধার হওয়া হার্ডডিস্কের মধ্য থেকে শুটিং হওয়া প্রায় ৫০টির মত ক্লিপের সন্ধার পান তদন্তকারী অফিসাররা। যা দেখে তাঁদের চক্ষু চড়কগাছ।

তবে, এসএস এন্টারটেনমেন্টের কর্ণধার সৌম্যশঙ্কর চক্রবর্তী ওরফে রাজার দাবি, দিল্লির এ টু জেড নামে এক সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয় তাদের। মিউজিক ভিডিওগুলি বানিয়ে তারা ইউটিউবে দেবে বলে জানানো হয়েছিল। এই পর্নছবিগুলো বাংলাদেশেও পাঠানো হত বলে পুলিশের মাধ্যমে জানা গেছে।

Advertisement

Post a Comment

 
Top